Tuesday, November 17, 2020

মহাকাশ স্টেশনে ৪ নভোচারীর ঐতিহাসিক যাত্রা

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছেছেন স্পেস এক্সের পাঠানো রকেটের চার নভোচারী। ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস স্টেশন থেকে রকেটটি উৎক্ষেপণের প্রায় ২৭ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছায়।

আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে পৌঁছালে তাদের স্বাগত জানান আগে থেকে সেখানে অবস্থান করা দুই রাশিয়ান ও এক মার্কিন নভোচারী। নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি রকেট ও ক্যাপসুলের মাধ্যমে দ্বিতীয়বারের মতো মহাকাশে নভোচারী পাঠাল মার্কিন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স।

এই চার নভোচারী আগামী ছয় মাস সেখানে গবেষণার কাজ করবেন। গেল ৩১ অক্টোবর মহাকাশে তাদের যাওয়ার কথা থাকলেও অনিবার্য কারণে সেই যাত্রা স্থগিত করা হয়।

এর আগে, করোনার মধ্যেই গত মে মাসে দুই নভোচারীকে নিয়ে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পাড়ি দেয় যানটি। পরে আগস্টে তাদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনা হয়। 

কন্টেন্ট ক্রেডিট: সময় নিউজ

রাশিয়ার চোখ সুদানে


সুদানে শক্তিশালী নৌ-ঘাঁটি নির্মাণে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের পরিকল্পনা দ্রুত শুরুর তাগিদ দেন রুশ প্রেসিডেন্ট। তুর্কি গণমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, নিজেদের শক্তি আরও ছড়িয়ে দিতে মিত্র দেশে নৌ ঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে দেশটি। বিশেষ করে সমুদ্রে নিজেদের শক্তি বেগবান করতেই তৎপর হয়েছে রাশিয়া।

সমুদ্রে চলাচলকারী রুশ জাহাজগুলোর মেরামত ও কারিগরি পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান এবং এসব জাহাজের নাবিকদের বিশ্রাম নেয়ার লক্ষ্যে রাশিয়ার এ ধরনের ঘাঁটি প্রয়োজন বলে খার্তুমকে জানিয়েছিল মস্কো। রাশিয়ার এমন প্রস্তাব গ্রহণও করেছে সুদান।

ইতিমধ্যে রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুস্তিন সুদানের সঙ্গে সম্ভাব্য সামরিক চুক্তির খসড়াটি পুতিনের কাছে হস্তান্তর করেছেন। চুক্তির খসড়ায় বলা হয়েছে, নৌ সামরিক ঘাঁটি নির্মাণের জন্য সুদান রাশিয়াকে বিনামূল্যে জমি সরবরাহ করবে। অন্যদিকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাসহ ওই ঘাঁটির সার্বিক নিরাপত্তা রক্ষার সব সামরিক সরঞ্জাম ও সমরাস্ত্র সুদান সরকারের নিয়ন্ত্রণে দিয়ে দেবে রাশিয়া।

মস্কো বলছে, কোনো দেশের সঙ্গে যুদ্ধের পরিচালনার জন্য সুদানে নৌ ঘাঁটি তৈরির পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। মূলত ওই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যেই দু'দেশ ঐক্যমতে পৌঁছেছে। 

কন্টেন্ট ক্রেডিট: সময় নিউজ  


বাংলাদেশে বিয়ের খবরে মুখ খুললেন ‘পাখি’ খ্যাত মধুমিতা

মধুমিতা সরকার। ওপার বাংলার জনপ্রিয় সিরিয়াল অভিনেত্রী। ‘সবিনয় নিবেদন’ নামে সিরিয়াল দিয়ে ২০১১ সালে যাত্রা শুরু করেছিলেন। তারপর একে একে অভিনয় করেছেন ‘কেয়ার করি না’, ‘বোঝে না সে বোঝে না’, ‘মেঘ বালিকা’, ‘কুসুম দোলা’ ইত্যাদি সিরিয়ালে।

চলতি বছর বড়পর্দায় অভিষেক হয়েছে তার। অর্জুন চক্রবর্তীর সঙ্গে ‘লাভ আজকাল পরশু’ সিনেমায় দেখা গেছে তাকে।

বাংলাদেশে তিনি ‘পাখি’ নামে বেশ পরিচিত। ‘বোঝে না সে বোঝে না’ সিরিয়ালের তার চরিত্রটি বেশ দাগ কেটেছিল এপার বাংলার দর্শকের মনে। তারপর ‘পাখি’-কে শুধু পর্দায় বন্দি করে রাখা যায়নি। ‘পাখি জামা’, ‘পাখি মেহেদী’, ‘পাখি খাতা’, ‘পাখি আইসক্রিম’ দেখা গিয়েছে বাজারে। এ পাখিকে নিয়ে দুই বাংলার গণমাধ্যমেও বেশ চর্চা হয়। বিশেষ করে জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর থেকেই। চর্চার মূল বিষয়- পাখি অর্থাৎ মধুমিতার ব্যক্তিগত জীবন।

ব্যক্তিগত জীবনে মধুমিতা ডিভোর্সি। অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক সৌরভ চক্রবর্তীকে ভালোবেসে ২০১৫ সালে বিয়ে করেছিলেন তিনি। এক ছাদের নিচে থাকা অসম্ভব হওয়ায় সম্প্রতি বিচ্ছেদ ঘটে তাদের। বিচ্ছেদ নিয়েও মধুমিতা বেশ আলোচনায় ছিলেন গণমাধ্যমে। নানা কথাও শুনতে হয়েছে তাকে।

এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমার ডিভোর্স হল। মিডিয়া বলতে শুরু করল, আমার নাকি অন্য পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক। মানে অন্য কোনো কারণ থাকতেই পারে না!’

নতুন প্রেমে মজেছেন এ অভিনেত্রী- বিচ্ছেদের পর টলিপাড়ায় ভাসছিল এমন গুঞ্জন। কথা উঠেছিল তার দ্বিতীয় বিয়ে নিয়েও। শোনা যাচ্ছিল, বাংলাদেশের ছেলেকে বিয়ে করতে পারেন মধুমিতা। এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হয় অভিনেত্রীর কাছে।

ফোনালাপে ১৭ নভেম্বর (মঙ্গলবার) সময় নিউজকে তিনি বলেন, ‘আমাকে নিয়ে গুঞ্জনই বেশি ছড়ায়। ইউটিউবে গেলে দেখবেন, মারা গেছে যেসব অভিনেত্রী সেখানেও আমার মাথা ঢুকিয়ে দিয়েছে। বিয়ে নিয়ে আমার এখন কোনো ভাবনা-চিন্তা নেই। বিয়ের ওপর আস্থাও নেই। আপাতত কাজগুলো মন দিয়ে করতে চাই। যারা গুঞ্জন ছড়ান তাদেরকে বলেছি, আমাকে মন দিয়ে কাজ করতে দিন।’

ব্যক্তিগত জীবনের এতো চর্চার ফলে বেশ বিরক্ত এ অভিনেত্রী। বিরক্তির সুরেই তিনি বলেন, ‘আমাকে নিয়ে এত গুঞ্জন, বাড়ির লোকেও চিন্তায় পড়ে যায়। কাজের জন্য কারও সঙ্গে ব্রেকফাস্ট করলেও অনেকে অনেক কিছু মনে করছে।’ তবে এসব এড়িয়ে কাজে মনোযোগী হতে চান মধুমিতা। কী কাজ চলছে? জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আপাতত কাজগুলো নিয়ে ইন্টারভিউ দেয়া বারণ। আপনি আমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে জানতে চেয়েছেন আমি বলেছি। কিন্তু কাজগুলো নিয়ে বলতে পারব না। আপনি বরং এসভিএফের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।’

সিরিয়ালে সফল এ অভিনেত্রী নিজেকে ভেঙেছেন বড়পর্দায়। প্রথম সিনেমাতেই অন্তরঙ্গ দৃশ্যে সাবলীল ছিলেন তিনি। পর্দায় প্রেম আর ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করেও সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে তাকে। এখানেও শুনতে হয়েছে নানা কথা। ২০২০ সালে প্রেমের সিনেমায় ঘনিষ্ঠ দৃশ্য থাকবে না সেটি আশা করা ভুল বলে মনে করেন মধুমিতা। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘ইংরেজি ছবিতে অবাধ যৌন দৃশ্য দেখব। বিদেশিদের অজস্র বার চুমু খেতে দেখব। কিন্তু সেটা বাংলা ছবিতে দেখতে পেলেই একেবারে রে রে করে উঠব! এ রকম আর কত দিন চলবে বলুন তো?’

কন্টেন্ট ক্রেডিট: সময় নিউজ